ঢাকা, ২৪ অক্টোবর রবিবার, ২০২১ || ৮ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

পেয়াজ কেলেংকারীতে পেয়াজ চাষীগণ হুমকির মুখে

ক্যাটাগরি : অর্থনীতি প্রকাশিত: ৯৫৮৭ঘণ্টা পূর্বে


পেয়াজ কেলেংকারীতে পেয়াজ চাষীগণ হুমকির মুখে

ইমদাদুল হক (যশোর জেলা প্রতিনিধি ):

চলতি বছর ও গত বছরের পিয়াজের চাঞ্চল্যাকর ঘটনা গুলি জাদু টোনার থেকে নেহাত কম নয়।বিষয়টি ও ভাইরাল হয়েছে সোস্যাল মিডিয়া গুলোতে।এগুলো নিয়ে রীতিমতো চলেছে একের পর এক হাস্যকর পোস্ট এবং সেগুলো লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার।পিয়াজের অবিশ্বাস্য উর্ধগতির জন্যই মূলত এ পরিস্থিতির শিকার হয়েছে সাধারণ ক্রেতা ও সকল বাংলাদেশী পেয়াজ চাষীগণ।

বাঙ্গালীর খাদ্য তালিকায় পিয়াজ একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান। পরিমানের দিক দিয়ে পিয়াজ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মসলা। পিয়াজ সাধারনত মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হলেও সবজি ও সালাদ হিসাবেও পিয়াজের ব্যবহার সব দেশেই প্রচলিত আছে। অন্যান্য অনেক মসলার ন্যায় পেয়াজ কেবল খাদ্যদ্রব্যকে আকর্ষণীয় ও খাদ্যের স্বাদই বৃদ্ধি করে না, খাদ্যের পুষ্টি গুনও বৃদ্ধি করে এবং এর ঔষধিগুনও অপরিসীম। ক্ষত প্রতিষেধক হিসাবে, সর্দি-কাশিতে এবং আমাশয় নিরাময়ে পিয়াজ ব্যবহৃত হয়। পশ্চিম এশিয়া পেঁয়াজের উৎপত্তি স্থান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, মিশর ও স্পেন বিশ্বের প্রধান চারটি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী দেশ। এ ফসলটি ১.৪১ লক্ষ হেক্টর জমিতে প্রায় ৭.৫৪ লক্ষ মে. টন উৎপাদিত হয়। অথচ আমাদের দেশে পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ১৪.৬০ লক্ষ মে.টন। বাংলাদেশের সমগ্র উত্তরবঙ্গ, কুষ্টিয়া, যশোহর ও ফরিদপুর অঞ্চলে প্রচুর পেঁয়াজ উৎপন্ন হয়।

অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের আশায় পাইকারি ও খুচরা ব্যাবসায়ীরা মিলিত হয়ে পেয়াজের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে থাকে।এবং প্রতি কেজি দরে তারা তাদের অতিরিক্ত লভ্যাংশ টাকে প্রাধান্য দেয়।তারা নিয়মিত ভাবে এক এক এলাকায় এক একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে ফেলে।এবং সেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূলত তারা সারা দেশেই পেয়াজ কেলংকারী করে থাকে।

এক্ষেত্রে পেয়াজ চাষী গণ পড়েছে হুমকির মুখে।সীমিত আকারে তাদের লভ্যাংশ টা বৃদ্ধি পেলেও মানুষের চাহিদা কমে যাচ্ছে দেশীয় পেয়াজের উপর থেকে।কারণ দেশীয় পেয়াজের প্রতি কেজি দরের মূল্য থেকে বাইরের আমদানিকৃত পেয়াজের মূল্য প্রায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে কম।তাই দেশীয় পেয়াজের চাহিদা কমার সাথে তাদের  জীবিকা নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।বিশ্লেষক গণ ধারণা করছেন পেয়াজের এই পরিস্থিতি স্বাবাভিক না হলে সারা দেশে পেয়াজ চাষীর সংখ্যা ক্রমাগত কমতে থাকবে।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক    মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ   সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।


সারাদেশের সংবাদ