ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

শুক্রবার থেকে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু

ক্যাটাগরি : ধর্ম-কর্ম প্রকাশিত: ১৫৫৬৮ঘণ্টা পূর্বে


শুক্রবার থেকে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে তুরাগ পাড়ে জড়ো হতে শুরু করেছেন তাবলীগ জামাতের অনুসারীরা। কাল আমবয়ানের পর থেকে ইজতেমার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। আগামী রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শেষ হবে।

এই পর্বে সা’দ ভক্তরা ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন। এর আগে প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে প্রথম পর্ব শেষ করে জুবায়েরপন্থীরা।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মতোই দ্বিতীয় পর্বেও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকছে। ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় রেকর্ড সংখ্যক দেশি-বিদেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

ইজতেমা ময়দানে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন এলাকা ও বিদেশ থেকে তাবলিগ জামাতের অনুসারীরা জড়ো হবেন। তবে ১৯ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাত পর্যন্ত মুসল্লিদের আসা অব্যাহত থাকবে। রোববার বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ২০২০ সালের বিশ্ব ইজতেমা।

ভারতের মাওলানা সা’দ কান্দলভীর অনুসারীর সমন্বয়কারী হাজী মনির হোসেন বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের ময়দানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও তাবলিগের সাথিরা ইতিমধ্যে ইজতেমা ময়দানের ভেতর এবং বাইরের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

দ্বিতীয় পর্বের আয়োজনে নেতৃত্বে রয়েছেন সা’দপন্থী মুরুব্বি ওয়াসেকুল ইসলাম ও শাহাবউদ্দিন নাসিম। তিন দিনের এই বিশ্ব ইজতেমায় আমল, আখলাক, দুনিয়া ও আখেরাতে সুখ-শান্তির লক্ষ্যে দিন-রাত বয়ান চলবে প্রথম পর্বের মতোই।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপির) কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বেও থাকবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমায় পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। র‍্যাব, পুলিশ ও সাদা পোশাকে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় আট হাজার সদস্য। পুরো ইজতেমা ময়দান জুড়ে সিসিটিভি, ওয়াচ টাওয়ার ও মেটাল ডিটেক্টরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম তরিকুল ইসলাম জানান, ‘প্রথম পর্বের ইজতেমা শেষে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইজতেমা ময়দান স্থানীয় প্রশাসন বুঝে নিয়ে দ্বিতীয় পর্বের মুরুব্বিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ময়দানের মাইক, লাইট, শামিয়ানার চটসহ যাবতীয় মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বের মুসল্লিদের জন্য থাকবে বিশেষ কিছু ব্যবস্থা। আয়োজকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এসব কাজে সমন্বয় করছে।’

তিনি আরও বলেন, ২০২১ সালের ইজতেমাও দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্ব হবে ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১৫, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি।’


শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ