ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

চাঁদপুরে বালিয়ায় জঙ্গী সংগঠনের কর্মী’র লাইটের আঘাতে খতিব গুরুতর আহত

ক্যাটাগরি : ধর্ম-কর্ম প্রকাশিত: ৯৫৯০ঘণ্টা পূর্বে


চাঁদপুরে বালিয়ায় জঙ্গী সংগঠনের কর্মী’র লাইটের আঘাতে খতিব গুরুতর আহত

আলমগীর বাবুঃচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর সদর উপজেলা ৯নং বালিয়ায় ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড পশ্চিম সাপদী মজিদ খান জামে মসজিদের খতিব মাওঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ খানের (৫৫) এর উপর হামলা করে একই বাড়ির পিতা মৃত শফিক খানের ছেলে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জঙ্গী সংগঠনের কর্মী সালাউদ্দিন খান (২৭) নামের এক বখাটে যুবক। গতকাল ১৯ই'সেপ্টেম্বর শনিবার মাগরিব নামাজের  সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

মসজিদের খতিব মাওঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ খান বলেন, আমার সাথে কারো শত্রুতা নেই। আমি কখনো কারো সাথে খারাপ আচারন করেনি। আমি দীর্ঘ ৩৭বছর ধরে এ মসজিদে ইমামতি করি।মাগরিবের নামাজের সময় হচ্ছে মোয়াজ্জেন আযান দেওয়া শেষে সকল মুসল্লী নামাজের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে এবং আমি নামাজ পড়ার জন্য সামনে দাঁড়িয়ে যাই, ৩'রাকাতের নামজের প্রথম রাকাতের রুকুতে গেলে হঠাৎ করে জঙ্গি সংগঠনের কর্মী সালাউদ্দিন খানের হাতের পাইপ লাইট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেলে আমি  প্লোরে লুঠিয়ে পড়ে যায়। আমাকে মসজিদের  মুসল্লীরা সকলে মিলে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঘটনার স্থান থেকে সালাউদ্দিন তাৎক্ষণিক পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে, ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ তাহের খান,মসজি কমিটির সদস্য মোঃ জসিম খান, নূরুজাম্মান বাবু সহ এলাকা বাসী জানান,আমাদের এ জামে মসজিদের খতিব মাওঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ খান একজন আদর্শ ও ন্যায় পরায়ন মানুষ। তাঁর হাত ধরে এলাকার অনেক ছেলে মেয়ে কোরআন শিক্ষা অর্জন করেছে। সে দীর্ঘ অনেক বছর যাবৎ এ মসজিদে ইমামতি করে আসছে। কোন দিন আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেনি। গতকাল যে ঘটনাটি ঘটেছে সবার অগোচরে শুনে খুবই দুঃখ জনক লাগল। ইমাম সাহেবের মাথা থেকে অনেক রক্তখরন শুরু হয়। এলাকা বাসী জানান, বখাটে সালাউদ্দিন একজন জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। সে প্রায় সময়ে কুমিল্লা সহ বিশেষ বিশেষ জেলা গুলোতে গিয়ে জঙ্গি সংগঠনের কাজে লিপ্ত থাকেন এবং সেখানে সালাউদ্দিন খান কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলে জানান।

এলাকা বাসীর আরেকটি সূত্রে জানা যায়,পিতা আঃ সাত্তার খানের ছেলে ফারুক খান ও এ সালাউদ্দিন খানের সাথে জঙ্গি সংগঠনের প্রশিক্ষণে লিপ্ত বলে জানান। সালাউদ্দিন খান বাড়িতে আসলে সবাই আতংকিত হয়ে থাকে। ভয়ে তার সাথে কথা বলতে পারেনা। সে তার মাকে ও একাধিক বার ও তাঁর বোনকও মারধর করছে বলে জানান। আমাদের মসজিদের খতিব মাওঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ খানের উপর যে  হামলা ঘটিয়েছেন আমরা এলাকার সচেতন নাগরিক হিসেবে জঙ্গি সংগঠনের সাথে থাকা সালাউদ্দিন খান কে বিচারের আওয়াতায় যেনো আনা হয় এবং তাঁকে ধরে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রধান করা হউক তাঁই আমারা প্রশাসনের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ