ঢাকা, ২৪ অক্টোবর রবিবার, ২০২১ || ৮ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

বাঘাইছড়ি পৌরসভার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্তা দেখার মতো নাই কেউ

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ১১৩৬২ঘণ্টা পূর্বে


বাঘাইছড়ি পৌরসভার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্তা দেখার মতো নাই কেউ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাঘাইছড়ি,রাঙ্গামাটিঃ দেশের সর্ববৃহৎ জেলা রাঙ্গামাটি,এই জেলাতে দুইটি মাত্র পৌরসভা,একটি হলো রাঙ্গামাটি সদর পৌরসভা অন্যটি হল সবচেয়ে বড় উপজেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভা। এর আয়াতন ২২.৮৭ বর্গকিমি। এই পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।  পৌরসভাটির মধ্যে মোট ৯ টি ওয়ার্ড় রয়েছে।  এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পৌরসভার সদর চৌমুহনী এবং উপজেলা সদর 


এই সদরে ব্যস্ততম সড়কে অন্যান্য ওয়ার্ডের সড়কের তুলনায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেশি হয়ে থাকে। 


এলাকাবাসীর দাবী এই পৌরসভার রাস্তার অবস্থা এতই খারাপ যে একজন গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে নিতেই অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। 


একজন বৃদ্ধ লোক গাড়িতে করে বাজারে যেতে পারে না।  এখন বর্ষার মৌসুম রাস্তায় বড় বড় যে পরিমাণ গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে  রোড এক্সিডেন্টের সম্ভাবনা অনেক বেশি৷  জমে থাকা ময়লা পানির কারণে রাস্তা দিয়ে হাঁটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। 


পৌরবাসীর অভিযোগ পৌরসভার মধ্যে সন্ধা নামলে যেখানে বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলার কথা। সেখানে উপজেলা, চৌমুহনী মিলে চারটি বা এর কয়েকটি বেশি ল্যামপোস্ট চোখে পড়ে।


 আর সদরে বিদ্যুৎ  আরেক সমস্যা। 

পৌরসভার সদরে ওয়ার্ডে দিনে অগণিত লোডশেডিং হয় থাকে।  কোথায় সার্বাতলীতে ট্রান্সফরমারে সমস্যা হলে সদরে ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়।  সন্ধায় মানুষ মাগরিবের নামাজ পড়তে মসজিদে ঢুকে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়।


 বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পৌরসভার সদরে নিয়ে আলাদা একটি প্ল্যান করতে পারছে না। আলাদা একটি ট্রান্সফরমার দিয়ে সদরের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। 


দেশ যেখানে প্রতিটি জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, উনিয়নে উন্নয়ন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যেখানে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকার গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। 


সেখানে আজ আমার এই পৌরসভার এমন বেহাল অবস্থা কেন জনমনে প্রশ্ন থাকে,

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।
Search
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক    মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ   সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।


সারাদেশের সংবাদ