ঢাকা, ৩০ জুলাই শুক্রবার, ২০২১ || ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

ভুমি বেদখলের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৯২৩০ঘণ্টা পূর্বে


ভুমি বেদখলের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য চট্টগ্রামে অব্যাহত ভূমি বেদখলের প্রতিবাদে

খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

পার্বত্য চট্টগ্রামে অব্যাহত ভূমি বেদখলের প্রতিবাদে এবং বেদখলকৃত ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইউপিডিএফভুক্ত তিন সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন।


আজ শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২০) খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া এলাকায় সকাল ১০টায় মিছিল শুরু হয়ে পরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


সমাবেশ চলাকালে অতিবৃষ্টি হওয়ায় কারণে তিন সংগঠনের পক্ষ থেকে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সমর চাকমা।


তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও সরকার পাহাড়ি উচ্ছেদের নীলনক্সার অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বেদখলে মেতে উঠেছে। একদিকে সেটলার বাঙালিদের দিয়ে ভূমি বেদখল করা হচ্ছে, অপরদিকে সেনা-বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন ও নামে বেনামে বিভিন্ন কোম্পানি-ভূমিদস্যুদের দিয়ে পাহাড়ে ভূমি বেদখল অব্যাহত রেখেছে।।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, গুইমারার নাক্রাই হাতিমুড়া নামক স্থানে বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের নির্ধারিত জায়গা জবরদখল করে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের কাজ চলছে। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে পানছড়ি উপজেলার মরাটিলা, রামগড় ও রাঙামাটি জেলায় লংগদু এবং বান্দরবান জেলায় বিভিন্ন স্থানে ভূমি বেদখল করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। মূলত সরকার পাহাড়ি বান্ধব না হওয়ায় বিভিন্নভাবে হাজার হাজার একর ভূমি বেদখলের মাধ্যমে পাহাড়িদের নিজ জায়গা-বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।


তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি জনগণকে বিভক্ত করে সরকার একদিকে জাতিগত দমন-পীড়ন জোরদার করেছে, অপরদিকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রত্যক্ষ মদদ দিয়ে অরাজক পরিস্থিতি জিইয়ে রেখে ভূমি বেদখলসহ পাহাড়িদের অস্তিত্ব ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।


সমর চাকমা সরকারের এই গোপন নীলনক্সার বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হওয়ার ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।


সমাবেশ থেকে তিনি অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বেদখল বন্ধ করা, বেদখলকৃত ভূমি ফেরত দেয়া ও পাহাড়িদের প্রথাগত ভূমি আইনের স্বীকৃতির দাবি জানান।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: