ঢাকা, ১২ এপ্রিল সোমবার, ২০২১ || ২৯ চৈত্র ১৪২৭
 নিউজ আপডেট:

কালুরঘাট ব্রিজের নকশা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে- রেলমন্ত্রী

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৫০৮৩ঘণ্টা পূর্বে


কালুরঘাট ব্রিজের নকশা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে- রেলমন্ত্রী

মোহাম্মদ হাসানঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাট ব্রিজের নকশা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। দোহাজারী-কক্সবাজার পর্যন্ত যদি সুবিধা পেতে হয় তাহলে কালুরঘাট ব্রিজ এবং চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত রেলপথ মিটারগেজের পরির্বতে ব্রডগেজে রুপান্তর করতে হবে’ বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।


আজ ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। এসময় তিনি আরো বলেন,ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি কাঠামো তৈরি করেছি। এটি গেজেট আকারে প্রকাশ হওয়ার পর এটির আলোকে ভূমি ইজারা দেওয়া হবে। অবৈধ দখলে থাকা ভূমি উদ্ধারে নেমেছি। ২০১১ সালে আলাদা রেল মন্ত্রণালয় করার পর রেলকে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফেরানোর চেষ্টা চলছে।


রেলমন্ত্রী আরও বলেন,প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে মনে হয়েছে প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মাঠের কাজ ২০২১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এ জন্য আমার বিশ্বাস, স্টেশন বিল্ডিং, প্লাটফরম, সিগন্যালিং সিস্টেমসহ সম্পূর্ণ কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হবে।


এসময় রেলমন্ত্রী সুজন রেলের সম্পদ অবৈধ দখলদারদের হুশিয়ারী দিয়ে বলেন,রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন,রেলওয়ের সম্পদ বেআইনিভাবে কাউকে ভোগ করতে দেওয়া হবে না কেউ অবৈধ দখলে রাখতে পারবেনা । রেলওয়েতে এক সময় জোর যার বেশি সেই রেলের মালিক ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার দেড় বছরের মধ্যে রেলওয়েতে পেশি শক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। যতো বড় শক্তিশালী হোক, রেলওয়ের সম্পদ বেআইনিভাবে ভোগ করতে দেবো না। 


তিনি আরও বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন, রেলের সকল রুট মিটারগেজের পরিবর্তে ব্রডগেজে রুপান্তর করার। এ কারণে লাকসাম থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ডাবল লাইনের কাজ ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে লাকসাম পর্যন্ত রেললাইন ডুয়েলগেজে রুপান্তর করতে হবে। আখাউড়া থেকে টুঙ্গি পর্যন্ত রেললাইনেও ডুয়েলগেজে রুপান্তর করতে হবে। এসব কাজ যদি সম্পন্ন হয় তাহলে মিটারগেজ এবং ব্রডগেজ ট্রেন আমরা চালাতে পারবো।


‘আমরা আশা করছি ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার মিটারগেজে ভ্রমণ করতে পারবো। আর ২০২৫ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার রেললাইন ব্রডগেজে রুপান্তর করতে পারবো’ বলেন তিনি।


সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের শাহ আমানত সুপার মার্কেট আমরা এক বছরের জন্য লিজ দিয়েছি। আবারও লিজ দেয় কীভাবে। যারা লিজ নিচ্ছে, তারা বিষয়গুলো দেখবে না? তারা কি বুঝে কিনে না? যার মালিকানা নেই, সে যদি বিক্রি করার পর অন্য কেউ নেয়, দোষটা-তো তাদের। তারপরও আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখবো।


এর আগে সকালে চট্টগ্রাম, দোহাজারী, চকরিয়া ও কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এসময় সংশ্লিষ্ট বিভাগের পদস্থ কর্মকর্তাগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: