ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

মীরসরাইয়ের নৌকার দূর্গ ইছাখালী ও মঘাদিয়ায় রক্ত ঝরছে দলীয় কর্মীদের!

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৯৩৭২ঘণ্টা পূর্বে


মীরসরাইয়ের নৌকার দূর্গ ইছাখালী ও মঘাদিয়ায় রক্ত ঝরছে দলীয় কর্মীদের!

মোহাম্মদ হাসানঃ চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে (অর্থনৈতিক অঞ্চল)মীরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরী লাগোয়া ইছাখালী ও মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক তোড়জোড়। ঘটছে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংস ঘটনা। পরিস্থিতি দিনের পর দিন কঠিন রুপ নিতে শুরু করেছে। ভয়ঙ্কর সহিংসতার আশংকা করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট বোদ্ধাগণ।


বর্তমানে উপজেলার ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, গত উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল মোস্তফা। এবারের নব গঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটিতে তাঁকে সদস্য করা হয়নি শুধুমাত্র আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের পছন্দের ব্যাক্তিকে মনোনীত করার অংশ হিসেবে। এমনটাই মনে করছেন সাবেক একজন নেতা।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই নেতা বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে সামনের বিশাল কর্মজজ্ঞের কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের বাসনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্ব চাইছেন সামনের ইউপি নির্বাচনে তাদের আস্থাভাজন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মনোনীত করতে। এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সম্প্রতি নবগঠিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কমিটি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তাদের অনুসারীদের আনা হয়েছে।সে হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের পছন্দের একজনকে প্রার্থী হিসেবে বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে শেয়ার নেয়া একজন নেতাও ঐ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে তারও একজন পছন্দের ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল এক নেতাকে চেয়ারম্যান মনোনীত করার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে কাজ করছেন।


অপরদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান যেহেতু বিগত চার দশক যাবত ছাত্র যুব ও আওয়ামী নেতৃত্বে ছিলেন তাঁকে ঘিরেও রয়েছে একটি বিশাল অংশ। আর তারাও চাইছেন যেভাবে হউক তাদের নেতাকে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে।


অন্যদিকে অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রবেশদ্বার উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন। যদিও তিনি ইতিপূর্বে জীবিকার তাগিদে প্রবাস জীবনে থাকায় আওয়ামী লীগ রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন না। কিন্তু গতবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে দলীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলছেন। নব গঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে তিনি সদস্য হতে পারেননি। তবে তিনি ও তার অনুসারীরা আগামীতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।


উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্ব এই ইউনিয়ন থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্যাক্তিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে নিয়ে আসেন। যাদের মধ্যে অনেকেই বিগত বছরগুলোতে এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার বাসনা পোষণ করে আসছিলেন।এরমধ্যে এরা অনেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নব গঠিত কমিটিতে নেতৃত্ব পাওয়ায় এলাকায় তাদের বলয় গঠন ও শক্তির জানান দিতে শুরু করেন। এতে করে গত প্রায় ৮/১০ মাসে বেশ কয়েকটি সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে করে ছাত্রলীগ যুবলীগ বেশ কয়েকজনের রক্ত যেমন ঝড়েছে তেমনি আবার অর্শত নেতাকর্মী মামলার আসামি হয়ে কারাগার আদালতে আসাযাওয়া করতে করতে অতিষ্ঠ হয়ে একে অপরের সাপে নেউলে সম্পর্কে পতিত হচ্ছে। এলাকার অভিজ্ঞ মহলের ধারণা এখনি এসব বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা না নিলে পরিস্থিতি ভায়বহ রুপ লাভ করবে। হত্যা খুনের মত ঘটনা ঘটে যেতে পারে।


স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে জনাগেছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান এর পাশাপাশি সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহীনুল কাদের চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য আরিপ মাঈন উদ্দিন, মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলছেন সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহের কারণে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী ও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কয়েকবারের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি, বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী বেলাল উদ্দিন আহাম্মদ। তিনি এও বলেন যদিও দৃশ্যমান এ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দেখা মেলছে তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব সর্বশেষ তাদের পছন্দের ব্যাক্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মিহির কান্তি নাথকেই দলীয় মনোনয়নে চুড়ান্ত করতে পারেন।


সর্বপরি মীরসরাই উপজেলায় আওয়ামী লীগের নৌকার ভোটের দূর্গখ্যাত ইছাখালী ও মঘাদিয়া ইউনিয়ন। উপজেলা ও ইউনিয়ন নেতৃত্বের দোলাচালে আগামীর চেয়ারম্যান নির্বাচন ঘিরে চলমান ঘটনা ও আশু সম্ভাব্য ঘটনায় এ দূর্গে বড় ধরনের আঘাত হনতে যাচ্ছে।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।
সুনামগঞ্জে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করে লাভবান কৃষক কামরান আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভৈষবেড় গ্রামের কৃষকরা শতভাগ চলতি আমন মৌসুমে বিনা ১৬, ও ১৭ জাতের ধান চাষাবাদ করে ভালো ফসল পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা কৃষি অফিস ও বিনা উপকেন্দ্র উদ্যোগে এই ধানের জাত দুইটির শস্য কর্তন করা হয়। এই দুইটি জাতের ধান স্বল্প জীবনকালীন হওয়ায় কৃষকরা এই ধান চাষে করে কম সময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। চলতি মৌসুমে কৃষকরা তাদের জমিতে অন্য জাতের ধান চাষ না করে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করে ফসল বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলার অধিকাংশ আমন জমিতে বিনা ১৬ও ১৭ জাতের ধান দুইটি চাষ হচ্ছে। সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন, সুরমা ইউনিয়ন, মুসলিমপুর ও বিশম্ভরপুর উপজেলার প্রায় আশিভাগ জমিতে বোরো এবং আমন মৌসুমে এই জাত দুটি চাষ হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ভৈষবেড় গ্রামের কৃষক মো.জিয়াউর রহমান বলেন, তিনি চলতি মৌসুমে বিনা - ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করেছেন। বিগত পাঁচ বছর যাবৎ বিনা জাতের এই ধান তিনি তার জমিতে চাষ করছেন। জাতটি অত্যন্ত ফলনশীল ও আগাম, তাই অল্প সময়ের মধ্যে ভালো ফসল ও একই জমিতে নতুন করে ফসল ফলাতে পারছেন। চলতি মৌসুমে তিনি ৩০ বিঘা জমিতে এ জাতের ধান চাষ করেছেন। তিনি জানান বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধানের চাল চিকন,ভাত ও সুস্বাদু এবং ফসল ও অন্য জাতের চেয়ে অনেক ভালো হয়। একই সাথে একই জমিতে অন্য ফসল রোপন করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় কৃষকরা এই জাতের ধান চাষাবাদ করতে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষক হেলাল মিয়া জানান, বোরো ও আমন দুই মৌসুমে বিনা উপকেন্দ্র ও কৃষি অফিস থেকে বীজ ও তাদের পরামর্শ নিয়ে এই ধান চাষ করেছি।জাতটি কম সময়ে ফসল কাটা যায় ও অন্য জাতের চেয়ে ফসল অনেক বেশি হওয়ায় আমরা আর্থিকভাবে সাবলম্বী হতে পারছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.সালাহউদ্দিন টিপু বলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১১,৫০০ হেক্টর জমি চাষ হয়েছে যার প্রায় ৮০ ভাগ জমিতে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এই জাত দুটি খরা ও রোগবালাই সহনশীল ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকরা আগ্রহের সাথে এই ধান চাষ করছেন। বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাকিব ,বিনাধান ১৬ ও ১৭ আমন এবং বোরো দুই মৌসুমে চাষের উপযোগী। এই ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের আমরা বীজ সার ও তাদের উৎপাদন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিনা এ জাতের ধান চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেক খুশি অল্প সময়ে ভাল ফসল পাওয়ায়। এলাকার কৃষকরা ভালো ফসল পেয়ে এই ধান চাষ করতে চাইছেন।
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ