ঢাকা, ৩০ জুলাই শুক্রবার, ২০২১ || ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

চাঁদপুর জেলা জুয়েলারি সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৬৮৩৯ঘণ্টা পূর্বে


চাঁদপুর জেলা জুয়েলারি সমিতির  সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোটারঃ- চাঁদপুর জেলা জুয়েলারি সমিতির সভাপতি নোলক জুয়েলার্সের মালিক মোস্তফা ফুলমিয়া ও সাধারন সম্পাদক মানিক পোদ্দার সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে শেখ জুয়েলার্সের মালিক শেক মোঃ বিল্লাল হোসেন ১৪ অক্টোবর বুধবার চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন,যার নং-- ৭৪০ অভিযুক্ত অন্যানরা হলো স্বর্ন ভূবনের মালিক মানিক মজুমদার, স্বর্ন মহরার মালিক নজির আহমেদ,আলপনা জুয়েলার্সের মালিক অজিত সরকার,পরমিতা জুয়েলার্সের মালিক জয়রাম রায়,অভিযোগ সূত্রে জানা যায়... চাঁদপুর জেলা জুয়েলারি সমিতির মেয়াদ গত ৭  আগষ্ট উত্তির্ন হয়,মেয়াদ উত্তির্ন  কমিটি ভেঙ্গে পুনরায় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি করার জন্য ২৪ আগষ্ট সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সমিতির সদস্য, অভিযোগকারী বিল্লাল শেখ বলেন। মোস্তফা ফুলমিয়া, সম্পাদক মানিক পোদ্দার, মানিক মজুমদার, নজির আহমেদ, অজিত সরকার, জয়রাম রায় সহ, আরো বহিরাগত কয়েকজন মিলে ওইদিন রাতে, তার সাথে খারাপ ব্যবহার ও মারধরের চেষ্টা করে, এ ঘটনার পরেও তারা নানান ভাবে ক্ষতি গ্রস্ত করে আসচ্ছে,বিল্লাল হোসেন জানায়,গঠনতন্ত্রের নিয়ম বহির্ভূত ভাবে গত ২৭ আগষ্ট সমিতির সদস্য পদ থেকে আমাকে অব্যাহতি প্রদান করে এবং আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য স্বাক্ষর বিহিন অব্যহতি পত্রটি, চাঁদপুর জেলার সকল স্বর্ন ব্যাবসায়ীদের মাঝে পৌছিয়ে দেন। সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক গঠনতন্ত্র নিয়ম বহির্ভূত ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে আমার সদস্য বাতিল করেন।এ বিষয়ে যদি কোন বাড়াবাড়ি করি, তাহলে আমাকে ব্যবসা করতে দিবেনা এবং প্রানে মেরে ফেলবে বলেও হুমকি ধমকি প্রধান কারেন,বিল্লাল হোসেন আরো জানায়, তাদের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার কারনে গতকাল ১৪ অক্টোবর বুধবার বহিরাগত লোকজন দিয়ে আমাকে হুমকি ধমকি প্রদান করেন,তাই আমি আমার নিরাপত্তার জন্য চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি,নিয়ম বহিভূত আমার সদস্য পদ বাতিল ও আমাকে, হুমকি ধমকি  প্রদানের জন্য প্রশাসনের কাছে সুবিচার দাবি করছি। এদিকে অভিযোগকারি শেখ জুয়েলার্সের মালিক শেখ বিল্লাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কে জানান আমাকে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নানা ভাবে হয়রানি  ও আমিযাতে কোন ভাবে ব্যাবসা করতে না পারি সে জন্য  বিভিন্ন অসধপন্থায় ক্ষতি করে আসছে, কিছুদিন আগে আমার কাছে ভ্যাট বাবদ কিছু টাকা দাবি করে আমি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাদের যোগসাজশে আমার  সেলস্ খাতা ভ্যাট অফিসে নিয়ে যায়, এবং আমার কিছুটাকা জরিমানা করায়, এবং চাঁদপুরের সকল ব্যবসায়ীদেকে কে তারা বলে দিয়ছে যেন আমার সাথে কেউ ব্যবসায়ীক লেনদেন না করে, তিনি আরও জানান আমি সরকারের সকল প্রকার ভ্যাটটেস্ক দিয়ে ও নিয়মকানুন মেনে ব্যবসা করি তাই কেউ আমার ক্ষতি করতে ও ব্যবসাকরা থেকে বিরত রাখতে পারবে না, এদিকে সমিতির সভাপতির সাথে যোগাযোগ করা হলে  তিনি জানান সমিতির বহিষ্কার হওয়া সদস্য শেখ জুয়েলার্সের মালিক আমার দোকানের কর্মচারী ছিলো তখন থেকেই সে একজন গাদ্দার প্রকৃতির লোক ছিল, আজ সে দোকানের মালিক হয়েছে, আমরা তাকে সমিতি সদস্য করেছি এখন সে একজন সমিতির সাধারণ সদস্য হয়ে সভাপতি ও সাধারণসম্পাদকে অকথ্য ভাষায়  গালিগালাজ করে ও হুমকি ধমক দেয়, তিনি আরও জানান সমিতির মেয়াদ পূর্তির পর করোনার কারনে পরবর্তী কার্যক্রম না করতে পারায় আমাদের সেন্ট্রাল কমিটি সাধারণ সম্পাদক সাক্ষরিত পত্রে  পরবর্তী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য সময় বাড়িয়ে দেয়, তারই আলোকে ও সমিতির প্রায় সকল সদস্যর সম্মতিতেই আমরা আমাদের কর্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি, তিনি আরও জানান সমিতির ১১০ জন সদস্যর মধ্যে ৯৯ জন সদস্যর সম্মতিতে শেখ জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: