ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

ছাত্র ইউনিয়ন নেতার বিরুদ্ধে ফেসবুকে নারী নিপীড়নের অভিযোগ

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৮৬৯৮ঘণ্টা পূর্বে


ছাত্র ইউনিয়ন নেতার বিরুদ্ধে  ফেসবুকে নারী নিপীড়নের অভিযোগ

 

চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে নারী নিপীড়ণের অভিযোগ তুলেছেন একই সংগঠনের এক নেত্রী। সংগঠনটির রাঙামাটি কলেজ শাখার যুগ্ন আহবায়ক তাহমিনা আক্তার সৌমাইয়া ২৭ অক্টোবর ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলেন। তিনি তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন,
‘একজন নারী নিপীড়ককে বাঁচাতে আর তাকে সাধারণ সম্পাদক করতে আপনাদের এতো আয়োজন কেন?
একজন কেন্দ্রীয় নেতা লাস্ট জেলা মিটিংয়ে বললেন নারী নিপীড়ককে শাস্তিস্বরূপ ১দিনের বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে।
আমি বলি কি ১দিনের বহিষ্কারাদেশ কোনো শাস্তি নাকি ভিক্টিমের সাথে মশকরা করলেন? আমার তো মনে হচ্ছে আপনারা নারী নিপীড়ককে সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে তার নিপীড়নের কাজের জন্য তাকে পুরষ্কৃত করলেন। আপনারা কি এভাবে একের পর এক নারী নিপীড়ন করার জন্য সংগঠনের কর্মীদের উৎসাহিত করছেন? ইমরান চৌধুরীর বিরুদ্ধে পূর্বেও গত কাউন্সিলে নারী নিপীড়নের অভিযোগ ছিল। আবার নতুন করে আরেকটা যুক্ত হলো অভিযোগ। আপনারা বলছেন কমিটি গঠনতান্ত্রিকভাবেই হয়েছে। তাহলে বলুন গঠনতন্ত্রের কোন ধারায় লেখা আছে একজন নারী নিপীড়ক সাধারণ সম্পাদক হতে পারেন? আমি আমার আগের কোনো প্রশ্নগুলোর উত্তর পাইনি বরং শুনতে হয়েছে ধমক। চট্টগ্রাম সংসদের সভাপতি তো ধমক-টমক দিয়া দিলো। কিভাবে একজন নারীর সঙ্গে আচার-ব্যবহার করতে হয় তা জেনে নিবেন কমরেড। আমাকে ধমক দেওয়ার রাইট আপনার নাই।
আর আপনাদের অনৈতিক কাজকারবার ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অপপ্রচার চালানো বন্ধ করেন। ওইদিন বহিরাগত কোনো পোলাপান ছিল না, সবাই ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী ছিল। এভাবে ধুম কইরা পোলাপানগো বহিরাগত কইয়েন না। অবশ্য আপনারা ধুম কইরা নারী নিপীড়ককে সাধারণ সম্পাদক বানাইতে পারলে, ধুম কইরা সংগঠনের কর্মীদেরও বহিরাগত বানাইতেই পারেন। এগুলো ব্যাপার না।‘

এদিকে তাঁর এই ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরই কমেন্টে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের। কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে সংগঠনটির চট্টগ্রাম জেলা কমিটির বিগত কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাফি লিখেছেন, “এবার তাও কিছুটা উন্নতি হইছে। গতবার তো ১০ মাস পঅর অভিযোগ কেন সেই প্রশ্ন তুলে ভিক্টিম ব্লেমিং এর দিকে আগাইছিলো। এবার অন্তত তা করে নাই।“
সাইফুর রুদ্র নামে সংগঠনটির আরেক কর্মী লিখেছেন, “লজ্জা লাগতেছে ভীষণ। ওনাদের ভাই, কমরেড ডেকে রাজনীতি করেছি।
দিনশেষ বহিরাগত ট্যাগ খেয়েছি। যাদের বহিরাগত বলেছে, তারাই সংগঠনের দিকে তাকিয়ে, চুপিসারে অন্যায় মেনে নিয়ে চলে গেছে। কারণ প্রকাশ্যে বললে, সংগঠন ল্যাংটা হয়ে যাবে।
আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে, আমি সংগঠনের বিরুদ্ধে লিখছি, গালগালি করছি নাকি , যার কোন প্রমাণ ই নাই।
দোষ একটাই, প্রশ্ন করেছি, প্রশ্ন তুলেছি। জ্বী দাদা। হ্যা দাদা করিনাই।
আজ অবধি সম্মেলনের এত অন্যায়ের পরেও কিছু বললাম না, লিখলাম না, বরং ভদ্রতা দেখায়ে অভিনন্দন জানাইলাম, শুধু প্রকাশ্যে বললে সংগঠনের বারোটা বাজবে বলে।
যেই আমার বিরুদ্ধে সংগঠন বিরোধীতার অভিযোগ সেই আমিই, পুলিশ রে কনভিন্স করছি এই বলে যে - আমাদের সম্মেলন আজ। সবার সম্মেলনেই একটু আধটু ঝামেলা হয়। আপনারা নেতাদের সাথে কথা বলেন।
নেতা আইসা বলে আমরা বহিরাগত  জায়গায় মারা খাইলাম  
এতসব হজম করে নিয়েছি। কিন্তু যখন ওয়ালে ওয়ালে নারী নিপীড়ন, স্বেচ্ছাচারীতার খবর ঘুরে, পকেট কমিটির আওয়াজ উঠে, কমিটি হবার পর পর দুটা পোগ্রামে ৫ জনের বেশি মানুষ হয়না,
তখন নিতে কষ্ট হয়, হজম হয়না।
আমরাই ত স্লোগান দিই, আমাদের ধমনীতে শহীদের রক্ত...
শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী করে, রাজনীতি করে, কমরেড আর যাই হউক... রাজনীতি করা যায়না, দালালি করা যায়।
আমাদের একটা স্লোগান, দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ... মনে করায়ে দিতে চাই।
আজকের বহিরাগত আমরা হয়ত থাকব না। নীল পতাকার মিছিল থেকে একদিন আপনাদের থু ছিটাবে কেউ না কেউ। আপনাদের
কাটগড়ায় দাঁড়ায়ে হয়ত প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে যাবে।
অবশ্য আপনাদের যে কূট রাজনীতি, আপনারা ত একটা নতুন ছেলে আসলে, তারে রাজনীতি না শিখায়ে, কে কয়টা প্রেম করছে, কে সিগারেট খায়, কে মদ খাইছে বলেন 
করোনাকালীন কার আর্থিক সংকটে টাকা পাঠাইছেন, এসব গল্প বলেন। বলে বলে কয় প্রজন্ম নষ্ট করবেন, কমরেড!! কয় প্রজন্ম রে দালালি শিখাবেন?
আজকে ইউনিয়ন করার সুবাধে... সাবেক হইলেও ত চেয়ারের দাওয়াত পাইতে পারেন একটা সময়। তখন হয়ত দেখতে পারেন, বাচ্ছা বাচ্ছা পোলারা জিগাইবে, দাদু বলেন, ২০২০ সালে আপনারা সংগঠনের ফোন্টা কেন মারছিলেন?
উত্তর ঠিক রাখেন এখন থেকে
দালালি জিন্দাবাদ।
পকেট কমিটি জিন্দাবাদ।“
ফেসবুক স্ট্যাটাসে বর্ণিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তাহমিনা বলেন,”এবছরের জুনের দিকে ভিক্টিম ইমরান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়। অবশ্য এর আগেও ২০১৯ সালে ইমরান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন সংগঠনের এক সাবেক নেত্রী, যদিও তা লিখিত ছিলো না। ইমরান চৌধুরী এমন কাজ আর করবে না মর্মে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তখন বিষয়টি মিমাংসা করেছিলেন। কিন্তু আবারও তাঁর বিরুদ্ধে নারী নিপীড়ণের অভিযোগ আসলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা হয়নি। যদিও ইমরান চৌধুরী কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়ের কাছে নিজের দোষ স্বীকার করেছিলেন।“
এবিষয়ে সংগঠনটির কর্মী সাইফুর রুদ্র বলেন, “নারী নিপীড়ণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইমরান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নামকাওয়াস্তে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো বলে শুনেছিলাম। কিন্তু কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা আশা করেছিলাম সম্মেলনের মাধ্যমে ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব আসবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে বারবার বলার পরও তাঁরা নারী নিপীড়ককেই সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে গেলো, যা একজন ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী হিসাবে আমাদের জন্য লজ্জার।
জুনে ইমরান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলেও তখন কেনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শোভন দাশকে করা হলেও তিনি সংগঠনের অভ্যন্তরীন বিষয় বলে এড়িয়ে যান।

পোষ্টদাতা তাহমিনা বলেন, জেলার বর্তমান সাধারন সম্পাদক গত জুনে বন্দর থানার এক কর্মীর ইনবক্সে আপত্তিকর ছবি পাঠায়৷ জুনের ১৫ তারিখে জেলা কমিটির মিটিংয়ে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।  জেলা কমিটির ওই মিটিংয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান নবেল সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত অভিযোগের পরেও উক্ত ঘটনার কোনো সুরাহা হয়নাই।


 

এতদিন কেন কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে এখন কেন সোস্যাল মিডিয়ায় এই ব্যাপারটি নিয়ে আসা হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি (তাহমিনা) জানান প্রথম দিকে ভিক্টিম সময় নিচ্ছিল পরে আন্দোলন এবং সম্মেলনের কারনে বিষয়টি পিছিয়ে যায়৷ 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইমরান চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি  এই ব্যাপারে তার কিছু বলার নাই বলে কেন্দ্রীয় সভাপতি -সাধারন সম্পাদকের সাথে কথা বলতে বলেন।

কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক অনিক রায়ের সঙ্গে কথা বলা জানাযায় তিনি এ ঘটনা সমন্ধে অবগত।
ঘটনার প্রায় ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও কোন ব্যাবস্থা কেন গ্রহন করা হয় নাই এমন প্রশ্নের জবাবে অনিক রায় বলেন-  ”সাংগঠনিক কিছু প্রক্রীয়া শেষে ব্যাস্থা নেওয়া হবে৷ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির মিটিংয়ে বিষটি উত্থাপিত হয়েছে।  জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল হাউসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ”

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।
সুনামগঞ্জে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করে লাভবান কৃষক কামরান আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভৈষবেড় গ্রামের কৃষকরা শতভাগ চলতি আমন মৌসুমে বিনা ১৬, ও ১৭ জাতের ধান চাষাবাদ করে ভালো ফসল পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা কৃষি অফিস ও বিনা উপকেন্দ্র উদ্যোগে এই ধানের জাত দুইটির শস্য কর্তন করা হয়। এই দুইটি জাতের ধান স্বল্প জীবনকালীন হওয়ায় কৃষকরা এই ধান চাষে করে কম সময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। চলতি মৌসুমে কৃষকরা তাদের জমিতে অন্য জাতের ধান চাষ না করে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করে ফসল বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলার অধিকাংশ আমন জমিতে বিনা ১৬ও ১৭ জাতের ধান দুইটি চাষ হচ্ছে। সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন, সুরমা ইউনিয়ন, মুসলিমপুর ও বিশম্ভরপুর উপজেলার প্রায় আশিভাগ জমিতে বোরো এবং আমন মৌসুমে এই জাত দুটি চাষ হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ভৈষবেড় গ্রামের কৃষক মো.জিয়াউর রহমান বলেন, তিনি চলতি মৌসুমে বিনা - ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করেছেন। বিগত পাঁচ বছর যাবৎ বিনা জাতের এই ধান তিনি তার জমিতে চাষ করছেন। জাতটি অত্যন্ত ফলনশীল ও আগাম, তাই অল্প সময়ের মধ্যে ভালো ফসল ও একই জমিতে নতুন করে ফসল ফলাতে পারছেন। চলতি মৌসুমে তিনি ৩০ বিঘা জমিতে এ জাতের ধান চাষ করেছেন। তিনি জানান বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধানের চাল চিকন,ভাত ও সুস্বাদু এবং ফসল ও অন্য জাতের চেয়ে অনেক ভালো হয়। একই সাথে একই জমিতে অন্য ফসল রোপন করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় কৃষকরা এই জাতের ধান চাষাবাদ করতে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষক হেলাল মিয়া জানান, বোরো ও আমন দুই মৌসুমে বিনা উপকেন্দ্র ও কৃষি অফিস থেকে বীজ ও তাদের পরামর্শ নিয়ে এই ধান চাষ করেছি।জাতটি কম সময়ে ফসল কাটা যায় ও অন্য জাতের চেয়ে ফসল অনেক বেশি হওয়ায় আমরা আর্থিকভাবে সাবলম্বী হতে পারছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.সালাহউদ্দিন টিপু বলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১১,৫০০ হেক্টর জমি চাষ হয়েছে যার প্রায় ৮০ ভাগ জমিতে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এই জাত দুটি খরা ও রোগবালাই সহনশীল ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকরা আগ্রহের সাথে এই ধান চাষ করছেন। বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাকিব ,বিনাধান ১৬ ও ১৭ আমন এবং বোরো দুই মৌসুমে চাষের উপযোগী। এই ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের আমরা বীজ সার ও তাদের উৎপাদন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিনা এ জাতের ধান চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেক খুশি অল্প সময়ে ভাল ফসল পাওয়ায়। এলাকার কৃষকরা ভালো ফসল পেয়ে এই ধান চাষ করতে চাইছেন।
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ