ঢাকা, ১২ এপ্রিল সোমবার, ২০২১ || ২৯ চৈত্র ১৪২৭
 নিউজ আপডেট:

আওয়ামী লীগ সকল ধর্মের মানুষের পাশে ছিলো,আছে,থাকবে: নওফেল

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৩৫৭০ঘণ্টা পূর্বে


আওয়ামী লীগ সকল ধর্মের মানুষের পাশে ছিলো,আছে,থাকবে: নওফেল

মোহাম্মদ হাসানঃ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, এদেশে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া আমরা সহ্য করবো না। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানুষকে হেনস্থা করা, সামাজিকভাবে গুজব ছড়িয়ে সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে ভীতি এবং শংকার পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। সর্বপরি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারী বা মৌলবাদী কোন গোষ্ঠীর কাছে সরকার মাথা নত করবে না।


১৪ নভেম্বর শনিবার রাতে শ্যামা পূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম  মহানগরীর গোলপাহাড় মহাশ্মশান পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপ-মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় পূজার আনুষ্ঠানিকতার উদ্বোধন ঘোষণা করে ্ বক্তব্য রাখেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী।


নওফেল বলেন, জাতির পিতার পদান্ক অনুসরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকার সকল ধর্মের সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচেতন দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা থাকলেও রাজনৈতিক দল হিসেবে সব সময় সনাতন ধর্মালম্বী থেকে শুরু করে সকল ধর্মের মানুষের পাশে ছিলো, আছে, থাকবে।


শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, সময়ে সময়ে এদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটিয়ে বহু নাশকতা ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে তার প্রতিবাদ করেছি, প্রতিহত করেছি। এখন জনগণের সরকার ক্ষমতায় কারও কোনো সঙ্কা বা ভয়ের কারণ নেই।


তিনি আরও বলেন, অতি সম্প্রতি দেখলাম খুবই ছোট একটি মৌলবাদী দলের একজন নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মঞ্চ কাঁপাচ্ছিলেন। মঞ্চ কাঁপিয়ে ভয়-ডর সৃষ্টি করে বড় গলায় যারা কথা বলছেন, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, মঞ্চ বেশি কাঁপাবেন না। বেশি কাঁপালে পায়ের নিচের মাটিও নরম হয়ে যাবে। আপনাদের হুমকি-ধমকি এগুলো বন্ধ করুন। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রকে শ্রদ্ধা করে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আপনারা আছেন ভালো কথা, কিন্তু কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে উস্কানীমূলক বক্তব্য দিয়ে, জনমনে শংকা তৈরী করবেন না। জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং জাতির পিতাকে নিয়ে বিরুপ কথা বলার ধৃষ্টতা দেখাবেন না। রক্ষা পাবেন না। এদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক মানুষ। বাংলার মুসলমান, বাংলার হিন্দু, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার খৃষ্টান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে।


মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাইকেল দে’র সভাপতিত্বে এবং বিশ্বনাথ দাশ বিশু ও সুচিত্রা গুহ টুম্পার যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বামী লক্ষী নারায়ণ কৃপানন্দ পূরী মহারাজ, সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী, মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজল কান্তি দেব, সহ-সভাপতি সৌমিত্র চক্রবর্তী, জগন্নাথ মিত্র, দেবাশীষ নাথ দেবূ, কাউন্সিলর প্রার্থী পুলক খাস্তগীর, রুমকি সেন গুপ্ত, আঞ্জুমান আরা আঞ্জু, অমিত চৌধুরী প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: