ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

মীরসরাইয়ের ছাত্রলীগ কর্মীর সামাজিক দায়বদ্ধতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৮২১৭ঘণ্টা পূর্বে


মীরসরাইয়ের ছাত্রলীগ কর্মীর সামাজিক দায়বদ্ধতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

মোহাম্মদ হাসানঃ চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ কর্মী, মীরসরাই কলেজের শিক্ষার্থী নাবেদ আহামেদ নোবেল এর সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে প্রতারনার ফাঁদে পড়ে গলার চেন পকেটের টাকা সব খুইয়ে অবশেষে হতাশ হয়ে কাঁদতে কাঁদতে উদ্দেশ্যহিন গন্ত্তব্যের ছুটতে থাকা কিশোর ওর্য়ার্কসপ হেলফার রফিকুল ইসলাম(১৪) দেখে এড়িয়ে না চলে তার পথরোধ করে কন্নাকরার কারন জানত চাইলো। আর কিশোরটি কারন বলার পর

পরম মমতায় সঙ্গী করে নিয়ে নিজগৃহে রেখে আদর যত্ন করে অতপর তার থেকে জেনে অভিবাবক জনৈক ইকবালের সাথে কথা বলে ডেকে এনে নিয়েগেলো মীরসরাই থানার ডিউটি অফিসারের টেবিলে।

ঘটনার বৃত্তান্ত তুলে ধরে অপর এক ছাত্রলীগ কর্মী অভিমানী শরীফ আক্ষেপ করে তার ফেসবুকে পোষ্ট দেয়া। তা হুবাহু -

ছাত্রলীগ করা ছেলেগুলোর ভালো কাজ পত্রিকার হেডলাইনে কখনো জায়গা পায় না।
অনেক অনেক ধন্যবাদ নাবেদ আহমেদ নোবেল।

লাল মার্ক করা ছেলেটার নাম রফিকুল ইসলাম রায়হান (স্বাধীন), বয়স ১৪। কাজ করে চট্টগ্রামের একটি ওয়ার্কশপে।নোয়াপাড়া, চট্টগ্রামের এর তার পরিচিত সজীব নামের এক ভাই তাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে নিয়ে আসে বড়দরগারহাট। সেখান থেকে হেঁটে মিরসরাই আসে তারপর সজিব তাকে মিরসরাই এনে গলার চেন এবং সাথে থাকা টাকা পয়সা নিয়ে তাকে নাস্তা আনতে যাওয়ার কথা বলে মিরসরাই একা রেখে চলে যায় আর ফিরে আসে নাই।এমন অবস্থা নীল শার্ট পড়া ছেলেটা নাম নাবেদ আহমেদ নোবেল তাকে বাদাম তলি কান্না করতে করতে যাওয়ার সময় ডাক দিয়ে গঠনা জিজ্ঞাসা করে এবং খাওয়া দাওয়া করিয়ে বসায় রাখে।

তার গার্ডিয়ান ইকবাল কে কল করে এনে তাকে সহ নিয়ে আমি, নোবেল এবং মহিবুল নামের একজন দোকানী সহ থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করিয়ে, মিরসরাই থানার ডিউটি অফিসার ছিদ্দিক ভাইয়ের সামনে তার খালাত ভাই ইকবালের হাতে বুঝিয়ে দিয়েছি।
কার্টেসি
সাবধান!এমন ঘটনা আপনার সাথে কিংবা আমার সাথেও গড়তে পারে চোখ কান খোলা রেখে চলুন এমন মানুষ থেকে দূর থাকুন।
মানবতার সেবায় এগিয়ে যাও।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।
সুনামগঞ্জে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করে লাভবান কৃষক কামরান আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভৈষবেড় গ্রামের কৃষকরা শতভাগ চলতি আমন মৌসুমে বিনা ১৬, ও ১৭ জাতের ধান চাষাবাদ করে ভালো ফসল পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা কৃষি অফিস ও বিনা উপকেন্দ্র উদ্যোগে এই ধানের জাত দুইটির শস্য কর্তন করা হয়। এই দুইটি জাতের ধান স্বল্প জীবনকালীন হওয়ায় কৃষকরা এই ধান চাষে করে কম সময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। চলতি মৌসুমে কৃষকরা তাদের জমিতে অন্য জাতের ধান চাষ না করে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করে ফসল বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলার অধিকাংশ আমন জমিতে বিনা ১৬ও ১৭ জাতের ধান দুইটি চাষ হচ্ছে। সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন, সুরমা ইউনিয়ন, মুসলিমপুর ও বিশম্ভরপুর উপজেলার প্রায় আশিভাগ জমিতে বোরো এবং আমন মৌসুমে এই জাত দুটি চাষ হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ভৈষবেড় গ্রামের কৃষক মো.জিয়াউর রহমান বলেন, তিনি চলতি মৌসুমে বিনা - ১৬ ও ১৭ জাতের ধান চাষ করেছেন। বিগত পাঁচ বছর যাবৎ বিনা জাতের এই ধান তিনি তার জমিতে চাষ করছেন। জাতটি অত্যন্ত ফলনশীল ও আগাম, তাই অল্প সময়ের মধ্যে ভালো ফসল ও একই জমিতে নতুন করে ফসল ফলাতে পারছেন। চলতি মৌসুমে তিনি ৩০ বিঘা জমিতে এ জাতের ধান চাষ করেছেন। তিনি জানান বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধানের চাল চিকন,ভাত ও সুস্বাদু এবং ফসল ও অন্য জাতের চেয়ে অনেক ভালো হয়। একই সাথে একই জমিতে অন্য ফসল রোপন করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় কৃষকরা এই জাতের ধান চাষাবাদ করতে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষক হেলাল মিয়া জানান, বোরো ও আমন দুই মৌসুমে বিনা উপকেন্দ্র ও কৃষি অফিস থেকে বীজ ও তাদের পরামর্শ নিয়ে এই ধান চাষ করেছি।জাতটি কম সময়ে ফসল কাটা যায় ও অন্য জাতের চেয়ে ফসল অনেক বেশি হওয়ায় আমরা আর্থিকভাবে সাবলম্বী হতে পারছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.সালাহউদ্দিন টিপু বলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১১,৫০০ হেক্টর জমি চাষ হয়েছে যার প্রায় ৮০ ভাগ জমিতে বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এই জাত দুটি খরা ও রোগবালাই সহনশীল ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকরা আগ্রহের সাথে এই ধান চাষ করছেন। বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাকিব ,বিনাধান ১৬ ও ১৭ আমন এবং বোরো দুই মৌসুমে চাষের উপযোগী। এই ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের আমরা বীজ সার ও তাদের উৎপাদন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিনা এ জাতের ধান চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেক খুশি অল্প সময়ে ভাল ফসল পাওয়ায়। এলাকার কৃষকরা ভালো ফসল পেয়ে এই ধান চাষ করতে চাইছেন।
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ