ঢাকা, ২৪ অক্টোবর রবিবার, ২০২১ || ৮ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

৪ বছরের ৭১৫ কেজি সোনা জমা বাংলাদেশ ব্যাংকে

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৬৩৭৮ঘণ্টা পূর্বে


৪ বছরের ৭১৫ কেজি সোনা জমা বাংলাদেশ ব্যাংকে

২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭১৫ কেজি সোনা জমে ছিল ঢাকা কাস্টমস হাউসের বিমানবন্দর গোডাউনে। জানুয়ারি ২১ ও ২৭ তারিখ তথা দুই দফায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা হয়েছে ৭১৫ কেজি সোনা (১৭.৮৭৫ মন)। যার বাংলাদেশি বাজার মূল্য প্রায় ৪৬৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

২১ জানুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কড়া নিরাপত্তায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা হয় ৪১৭ কেজি সোনা আর ২৭ তারিখ বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা হয় ২৯৮ কেজি সোনা। জমা হওয়া সোনার মধ্যে সোনার বার এবং স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে যে ৭১৫ কেজি সোনা জমা দেওয়া হয়েছে সেখানে ঢাকা কাস্টমস হাউস ছাড়াও ঢাকা কাস্টমস হাউসের আওতায় বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক জব্দ সোনা রয়েছে। যেমন বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), শুল্ক গোয়েন্দা, এনএসআই, সিভিল অ্যাভিয়েশনের সিকিউরিটি (এভসেক)।সোনাগুলো অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে ভল্টে। কেননা জমাকৃত ৭১৫ কেজি সোনার মধ্যে মামলা চলমান কিছু সোনাও রয়েছে। আর মামলা শেষ হলে সে সব সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে স্থায়ীভাবে জমা হবে। তবে ৭১৫ কেজি সোনার মধ্যে কিছু সোনা রয়েছে মামলা ছাড়া আর কিছু সোনা রয়েছে মামলা চলমান। তবে কতটি মামলা রয়েছে সে বিষয়ে জানা যায়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা দেওয়া সোনার বিষয়ে ঢাকা কাস্টমস হাউস দুটি কমিটি গঠন করেছে। আর এই কমিটি সুনিপুণভাবে সোনাগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা দিয়েছে। তবে ঢাকা কাস্টমস হাউস মনে করছে, যে সোনাগুলোর মামলা চলমান রয়েছে সেগুলোর মামলায় জয়ী হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে স্থায়ীভাবে সোনাগুলো জমা হয়ে যাবে।

এছাড়াও জানা যায়, পরিত্যক্ত বা মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করা স্বর্ণালঙ্কার বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থায়ীভাবে জমা হয়। পরে সেসব স্বর্ণ নিলামে বিক্রি হয়ে থাকে। কিন্তু বিভিন্ন সময় কাস্টমস এলাকায় ব্যক্তি ও বিদেশে যাতায়াতকারী যাত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণ বা স্বর্ণালঙ্কার জব্দের ঘটনায় করা মামলা তদন্ত ও বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা হয়। এতে ফৌজদারি মামলার বিচারকালে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্বর্ণের নমুনা সংগ্রহ করে আদালতে দাখিল, আবার আদালতের কার্যক্রম শেষে এ নমুনা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হয়। যে কারণে ফৌজদারি মামলার কারণে জব্দ করা স্বর্ণালঙ্কার ২০১৮ সাল থেকে গ্রহণ বন্ধ রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক অনুসন্ধানে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপদ ভল্টে গচ্ছিত সোনা নিয়ে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকে জব্দ সোনা জমা নিতে নতুন শর্তারোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু নতুন নিয়মে সোনা জমা দিতে রাজি হচ্ছিল না সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর এ রকম একটি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তখন জমা করা সোনা রসিদের সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা সোনায় বেশকিছু গড়মিল খুঁজে পায় শুল্ক গোয়েন্দা দল। এরপর থেকে সোনা জমা নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু অবশেষে সব সমস্যা সমাধান করে ৭১৫ কেজি সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা দিলো কাস্টমস৷ 

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।
Search
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক    মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ   সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।


সারাদেশের সংবাদ