ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

ব্যর্থতায় জর্জরিত স্বপ্ন ও সফলতা র উপস্থাপক আরিফ

ক্যাটাগরি : বিনোদন প্রকাশিত: ৭৫৬৭ঘণ্টা পূর্বে


ব্যর্থতায় জর্জরিত স্বপ্ন ও সফলতা র উপস্থাপক আরিফ

 

বিভিন্নি সময় সফলতার বাণী শোনান ভিডিওতে এসে । পরামর্শ দেন ব্যবসা নিয়েও । ব্যবসা করার বিকল্প কিছু নাই .. বলেন এমন কথাও । চাল চলন , কথার স্টাইল, বেশ ভূষণ দেখলেও বোঝা যায় মোটামুটি সফল একজন হাসি খুশি মানুষ । বা তার কথা শুনলে যে কেউ এটাও ভাবতে পারেন যে, সে একজন সফল ব্যবসায়ী । কিন্তু তার ব্যাক্তিগত জীবনে ব্যর্থতায় জর্জরিত হয়ে আছেন । বলা যেতে পারে উপরে সুখে থাকার অভিনয় করে যাওয়া আর ভেতরে চরম হতাশা নিয়ে হাসি মুখে জীবন কাটানো মানুষ তিনি ।

বলছি..স্যোশাল মিডিয়িায় প্রচারিত হওয়া জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ’স্বপ্ন ও সফলতা’র উপস্থাপক আরিফুল ইসলাম আরিফের কথা । তৈরী পোশাক কোম্পানি ব্লু ড্রিম ব্র্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেলে এবং ফেসবুক পেজে প্রচার হওয়া সাপ্তাহিক এই অনুষ্ঠানে প্রচার করা হয় সফল মানুষদের গল্প । উপস্থাপক আরিফ নিয়োজিত ব্লু ড্রিম গ্রুপের মিডিয়া হেড হিসেবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক কাছের বন্ধুর সূত্রে জানা যায় যে, আরিফ ২০১৭ সালে একটি বেসরকারী টেলিভিশনে সংবাদ উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে মিডিয়াতে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে সংবাদ সংগ্রহের কাজ ও টেলিভিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনাও করেন । টেলিভিশনে কাজ করলেও আরিফ খুব একটা সফল হতে পারেননি সেখানে । তাই মাত্র ২ বছরের মাথায়ই নিজেকে সরিয়ে নেন টেলিভিশনের পর্দা থেকে ।

তার ঐ বন্ধু আরও জানান, এর মধ্যে ২০১৮ সাল থেকে উদ্যোগ নেন ব্যবসা করার । ফেরিওয়ালা নামক একটা ই-কমার্স ব্যবসা শুরুও করেন । কিন্তু সেটাতেও সুবিধা করতে পারেননি । তাই সেটাও কয়েক মাস পর বাদ হয়ে যায় । ২০১৯ সালের শুরুর দিকে আবারও শুরু করেন একই ব্যবসা । আবারও ২/৩ মাসের মধ্যে বাদ হয়ে যায় । আবারও ২০১৯ এর ডিসেম্বরে শুরু করেন ফেরিওয়ালা । এবার কিছুদিন একটু ভাল চলছিল । কিন্তু করোনার জন্য দেশ লক ডাউন হয়ে যাওয়ায় আবারও সেখানে ব্যর্থ হয়ে যান । এদিকে ব্যবসায় বারবার ব্যর্থ হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবেও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় তাকে । ঘনিষ্ঠ এক সূত্রে জানা যায়, ব্যবসার এই ধারাবাহিক ব্যর্থতায় অনেক বেশি ঋণগ্রস্তও হয়ে পড়েন আরিফ ।

তার গ্রামের বাড়ি নড়াইলের এক বন্ধু জানান, আরিফ ২০১৪ সালে তার এক কাছের বন্ধুর সঙ্গে ‘এজে ফ্যাশন’ নামে একটি পোশাক ব্র্যান্ড করেন। সেই সময় আরিফ গ্রামেই থাকতো । পরবতীতে কিছু দিনের মধ্যেই সেই ব্যবসায় ব্যার্থ হন এবং অর্থনৈতিকভাবে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকা চলে আসেন ঘুরে দাঁড়াতে । পরে ঢাকায় এসেও খুব একটা সফল হতে পারেননি ।

আরিফ এখন ব্লু ড্রিম গ্রুপের মিডিয়া হেড হিসেবে আছেন । করছেন ফেসবুক এবং ইউটিউবের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘স্বপ্ন ও সফলতা’র উপস্থাপনা এবং এখনও পর্যন্ত সেই ফেরিওয়ালাকেই সফল করার চেষ্টাও করে যাচ্ছেন। 

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ