ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

কসবা পৌরসভায় কে হচ্ছে নৌকার মাঝি!

ক্যাটাগরি : রাজনীতি প্রকাশিত: ৭৭১৫ঘণ্টা পূর্বে


কসবা পৌরসভায় কে হচ্ছে নৌকার মাঝি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
কসবা পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে পুরো এলাকায়। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা না হলেও পৌর এলাকার সর্বত্র এখন বিভিন্ন ব্যানার- পোষ্টার, ফেস্টুনে সজ্জিত হয়েছে পৌর এলাকা। যদিও পৌর নির্বাচন কিন্তু এর হাওয়া সমগ্র উপজেলায় বিরাজ করছে। চায়ের স্টল থেকে শুরু করে সর্বত্র চলছে পৌর নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা।

জানা গেছে, কসবা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পত্র নিয়েছেন ৫ জন। বুধবার (২ডিসেম্বর) জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় হতে সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকারের কাছ থেকে প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন প্রার্থীরা।

মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এম এ আজিজ, বর্তমান পৌর মেয়র মোঃ এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ সোলেমান খান ও জাতীয় শ্রমিক লীগ উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন জামিল ও বীর মু্ক্তিযোদ্ধার সন্তান, তরুণ সমাজসেবক মোঃ মাহবুব সরকার।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, আগামী ২০২১ সালের ১২ জুলাই শেষ হবে কসবা পৌরসভার মেয়াদকাল। এর তিন মাস পূর্বে নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করবে নির্বাচন কমিশন। উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে পৌর এলাকার ভোটার রয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ২৩ জন।
উল্লখ্য গত ৪ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে কসবা পৌরসভা আওয়ামীলীগ এবং নয়টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বৃন্দের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নৌকা প্রতীক প্রত্যাশীদের জনপ্রিয়তা যাচাই করা হয়। মোট ভোটের মধ্যে ১.গিয়াস উদ্দিন জামিল(১৭ভোট) 
২.মোঃ মাহাবুব সরকার(১৫ভোট) ৩.মোঃ আব্দুল আজিজ(১৩ভোট) ৪.এমরান উদ্দিন জুয়েল (১৩ভোট) ৫.সুলেমান খান(৫ভোট)
জেলা আওয়ামীলীগ সূত্রে জানা যায়,  জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তারা একটি সুশৃঙ্খল তালিকা কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ড বরাবর প্রেরন করবে। 
সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মাহবুব সরকার বলেন, আপনারা আমার অভিভাবক। আমি আপনাদের সন্তান। জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয় আমি কসবা পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলব।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ