ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে কাজ করায় তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রশংসা করেছেন সবাই

ক্যাটাগরি : সবারকথা বিশেষ প্রকাশিত: ৯৭০০ঘণ্টা পূর্বে


পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে কাজ করায় তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রশংসা করেছেন সবাই

স্টাফ রিপোর্টার : নীহার বকুল।    

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখি শিকার হতে  বিরত থাকতে আইন হয়েছ, কিন্তু যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় দেশিয় ও পরিযায়ী পাখি আজ বিপন্ন হয়ে গেছে।         

পাখি শিকার মানেই নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা আর নৃশংসতা।গতকাল কামারগাঁও ইউনিয়নের নানান বিষয় পরিদর্শন করে অফিসে ফেরার পথে রাস্তায় পাখি শিকারীর দেখা পান ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস,দেখেন এক পাখি শিকারির    হাতে অনেকগুলো দেশিয় বক পাখি।তাৎক্ষণিক পাখি শিকারিকে ধরে এনে প্রকৃতি ও জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝিয়ে   আর ভবিষ্যতে এমন করবেন না সে মৌখিক মুচলেকা নিয়ে বকপাখি গুলো মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দেন সদাশয় জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তারাকান্দা, ময়মনসিংহ। প্রাকৃতিক পাখি শিকার দন্ডনীয় অপরাধ, মুক্ত হয়ে পাখি গুলো যখন আকাশে উড়ছিল সে দৃশ্যটি  ছিলো বড়ই মনোরম।তারাকান্দায় মানুষ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জান্নাতুল ফেরদৌসের দিনরাত ছুটে চলাকে তারাকান্দা উপজেলার সবাই খুব প্রশংসনীয় উদ্দ্যোগ বলে মন হতে গ্রহণ করেছেন। এমন দেশ ও জনবান্ধব কর্মকর্তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ উপজেলাবাসি।                  

সৌন্দর্যই শুধু নয়, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যেও পাখিদের বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজন আছে। পাখি হলো প্রকৃতির কীটনাশক। পাখির সংখ্যা কমে গেলে কীটপতঙ্গের অত্যাচারে অসম্ভব হয়ে পড়বে ফসল ফলানো। সেটিই যদি হয়, তাহলে নির্ভর করতেই হবে কীটনাশকের উপর। কিন্তু এটি তো পরিবেশের জন্যে খুবই ক্ষতিকর। কাজেই পাখি ঘাটতি অবশ্যই উদ্বেগের ব্যাপার। যে পাখি নিসর্গকে এতো সুন্দর করে, চোখকে এতো প্রশান্তি দেয়, সৌন্দর্য চেতনাকে এতো আলোড়িত করে, নিরীহ সে পাখির প্রাণ নেওয়াতে কী এতো সুখ মানুষের? তাই আসুন নিজের তাগিদেই আমরা প্রকৃতিকে বাঁচাই।   

প্রতি বছরই ওরা আসে। ঝাঁকে ঝাঁকে। নানা রং আর আকৃতির সেসব পাখির আগমনে মুখরিত হয় নদীপাড়, বিল-ঝিল, বন-বাদাড় সব।  শুভ্র আকাশে, সিগ্ধ বাতাসে ওরা মেলে ধরে ডানা।

পাখিরা আসুক। ওদের কলকাকলীতে ভরে উঠুক আমাদের চারপাশের প্রকৃতি।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ