ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

কনের বয়স ৮০, বরের ১০৫; মহা ধুমধামে বিয়ে!

ক্যাটাগরি : সবারকথা বিশেষ প্রকাশিত: ৮৮৪১ঘণ্টা পূর্বে


কনের বয়স ৮০, বরের ১০৫; মহা ধুমধামে বিয়ে!

জীবনের নিঃসঙ্গতা কাটাতে শতবর্ষী এক বৃদ্ধ ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে বিয়ে করেছেন। চাঞ্চল্যকর এই বিয়ে হয়েছে নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপাতিয়া ইউনিয়নের পুকুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। বিয়েতে ৫০ হাজার ৬৫০ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। পরে নগদ ৬৫০ টাকা পরিশোধিত দেনমোহরে ওই দম্পতির বিয়ে সম্পন্ন হয়। শতবর্ষী বৃদ্ধার বিয়েতে গ্রামের শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার  (২১ অক্টোবর)  দিনগত রাতে ওই দম্পতির বিয়ে সম্পন্ন হয়। পাত্রের নাম আহাদ আলী মণ্ডল ওরফে আদি (১০৫) ও পাত্রীর নাম আমেলা বেগম (৮০)।  তাঁরা একই গ্রামের বাসিন্দা এবং উভয়ের ঘরেই সন্তান রয়েছে। কিন্তু একাকিত্বের জীবন কাটাতেন তাঁরা। এ থেকে উত্তরণে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অবশেষে বেশ ধুমধামের পরিবেশে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান খন্দকার ওমর শরীফ চৌহান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পাত্র আহাদের চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। তাঁর নাতি-নাতনি থাকলেও স্ত্রী না থাকার কারণে বৃদ্ধ বয়সে বেশ একাকিত্বের জীবন কাটাতেন আহাদ। পরে তিনি এই নিঃসঙ্গতা কাটাতে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।

অপরদিকে একই গ্রামের আমেলা বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর সন্তান ও নাতি-নাতনি থাকলেও নিঃসঙ্গ জীবন কাটাতেন তিনি। তবে তাঁর সন্তানের সংখ্যা জানা যায়নি। এ অবস্থায় তিনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। অবশেষে উভয় পরিবারের সম্মতিতে বুধবার রাতে খুব ঘটা করেই তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। যা এলাকাবাসীকে অনেকটাই কৌতূহলী করে তুলেছে।  ফলে এ বিয়ে দেখতে অনেকেই ভিড় জমান বিয়েবাড়িতে।

চেয়ারম্যান আরো বলেন, এই বিয়েতে ৫০ হাজার ৬৫০ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। তবে বিয়ের সময় মহরানা বাবদ নগদ ৬৫০ টাকা পরিশোধ করেন শতবর্ষী ওই বৃদ্ধ মানুষটি। উভর পরিবারের লোকজনের মতামতের ভিত্তিতে তাঁদের এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। উভয়ের ছেলে-মেয়েরা উপস্থিত থেকে এ বিয়ে সম্পন্ন করেন।

বিয়েতে অন্তত শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন এবং বেশ ধুমধাম করেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় স্থানীয়রা চরম আনন্দে বিয়ের অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা নবদম্পতির দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন এবং মিষ্টি বিতরণ করেন।

এদিকে শতবর্ষী আহাদ ওরফে আদি ও ৮০ বছর বয়সী অমেলা বেগম তাঁদের দাম্পত্য জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যাতে ভালো সময় কাটে, সে জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ