ঢাকা, ২৪ অক্টোবর রবিবার, ২০২১ || ৮ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

তাহিরপুরে গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৪৪৩৮ঘণ্টা পূর্বে


তাহিরপুরে গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা

 

তাহিরপুর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে আজমিনা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত আজমিনা উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের জৈতাপুর গ্রামের কৃষি শ্রমিক শাহনুর মিয়ার স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।
বুধবার দুপুরে গৃহবধুর লাশ সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পারিবারীক সুত্র জানায়, উপজেলার জৈতাপুর গ্রামের শাহনুর মিয়া সপ্তাহকাল ধরে পাশ্ববর্তী জামালগঞ্জে ধাওয়ালীদের সাথে বোরো ধান কাটায় ছিলেন।
এদিকে ফাঁকা বাড়িতে তার স্ত্রী আজমিনা প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে দুই শিশু সন্তান ও  ১০ বছর বয়সী অপর এক প্রতিবেশী ননদকে সাথে নিয়ে নিজ বসত ঘরেই শুয়ে ছিলেন।
রাত পৌনে দুটার দিকে সন্তানরা ‘মা’কে ঘরে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করলে পাশের ঘরে থাকা দাদা দাদি এসে আজমিনাকে খোঁজ নেন।  
এদিকে বসতঘরের প্রধান দরজা বন্ধ থাকায় বসতঘর লাগোয়া গোয়াল ঘরের দরজাটি খোলা দেখতে পেয়ে বাড়ির আশে পাশে এমনকি আজমিনার পৈতৃক বাড়ি পাশ্ববর্তী ঘাগটিয়া গ্রামে তার খোজ নিলেও রাতভর কোন সন্ধান মেলেনি।
পরদিন সকালে নিহতের শশুর আমিরুল ইসলাম (৫৫) গরু চড়াতে মাঠে যাবার পথে বসতবাড়ির  ২০ গজ অদুরে খর খুটো দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আজমিনার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।
নিহত আজমিনার স্বামী শাহনুর মিয়া বলেন,পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী কালে দেখা যায় মাথায় ভারী কোন কিছুর দ্বারা আঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতক আজমিনার লাশ গুমের চেষ্টা করতে সেহরীর সময় ঘনিয়ে আসায় বাড়ির পাশে খরখুটো দিয়ে লাশ ঢেকে রেখে যায়।
বুধবার রাতে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার জানান,প্রাথমিক তদন্তে গৃহবধু হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত হতে পেরেছে। এ ব্যাপারে নিহতের শশুর আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা কয়েকজনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
Search
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক    মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ   সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।


সারাদেশের সংবাদ