ঢাকা, ২৪ অক্টোবর রবিবার, ২০২১ || ৯ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

স্টিলবডি নৌকা ও স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষ: আহত ৬ নিহত ২

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ২৩১৩ঘণ্টা পূর্বে


স্টিলবডি নৌকা ও স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষ: আহত ৬ নিহত ২

 


সাবজল হোসাইন: 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পাটলাই নদীতে আজ সোমবার সান্ধায় পাথরবাহী নৌকা ও  স্পিডবোটের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সম্মূখে পাটলাই নদীর মোরে। এতে বোট টি ভেঙ্গে ডুবে যাওয়ায় আহত হয়েছেন ৬ জন ও নিহত রয়েছেন মা-মেয়ে ২ জন। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো উপজেলা জোরে সুখের ছয়া নেমে এসেছে। 
 
আহতরা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেনের মেয়ে রিনা বেগম (৩৫), শাপলা আক্তার (২৮)। আহত রিনা বেগমের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 
নিহতরা হলেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামে বদরুল আমিনের স্ত্রী জোছনা বেগম (৩০) ও মেয়ে রুমু আক্তার (৮)।

পুলিশ জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার বানিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজার হতে ৮ জন লোক নিয়ে স্পিতবোটটি বালিয়াঘাট ক্যাম্পের সম্মূখ পাটলাই নদীতে আসা মাত্রই পাথর বোঝাই স্টিলবডি নৌকার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। 

এতে বোট টি ৮ জন যাত্রীসহ ডুবে যায়। তাঁদের মধ্যে ২ জন সাতরে তীরে উঠে আসেন। আহত ৬ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও  বাকি দুইজনকে তাৎক্ষণিক খোঁজে পাওয়া যায়নি, পরবর্তীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর নিখোঁজ হওয়া মা-মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রিনা বেগম (৩৫)কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে, অন্যান আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়েছে। এবং ঘটনাস্থল থেকে স্পিডবোট ও স্টিলবডি নৌকাটি জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। 

ঘটানার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুল লতিফ তরফদার এ প্রতিবেদককে জানান, নৌকা এবং স্পিডবোট আপাতত পুলিশ হেফাজতে আছে। এবং ঘটনার সাথে সাথে স্টিলবডি নৌকার মাঝিসহ নৌকায় থাকা শ্রমিকরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকেই আটক করা সম্ভাব হয়নি। তবে এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
Search
সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক    মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ   সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতি নিধি ঃ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে দু’টি রিভলবার, গুলি ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ও বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ডাকাত সদস্যরা হলো, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার শৈলজানা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মো. শফিকুল আলম তুহিন (৪৪), বগুড়া জেলা সদরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার বেল্লাল হোসেন (৫৮), মৃত লব ফকিরের ছেলে বুধা ফকির (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সেলিম প্রামাণিকের ছেলে মো. সোহাগ (২৯), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার আটকোবিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে নান্নু মণ্ডল (৩২) এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী সরকার বাড়ী এলাকার ইসমাইল সরকার (৫৯)। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার (১৭ অক্টোবর) মেয়ে দেখার নাম করে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় একদল ডাকাত। এরপর থেকে মাইক্রোবাসের চালক আমিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন গাড়ির মালিক। পরে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সহযোগিতা চান। এরপর র‌্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে যে চালক আমিরুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই গাড়ি দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে বগুড়া পৌর এলাকার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ দু’টি অভিযানে আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দু’টি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে এ ডাকাত চক্রটির দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে ডাকাতি করে আসছিল। তারা গাড়ি ছিনতাইয়ের পর এর নম্বর প্লেট, জিপিএস ট্র্যাকার ও গাড়ির রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে দখলে নেয়। পরে ওই গাড়ি নিয়ে ডাকাতি করে থাকে।


সারাদেশের সংবাদ