ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

নওগাঁয় পৌর মেয়রসহ বিএনপির তিন নেতা কারাগারে

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৯৫০ঘণ্টা পূর্বে


নওগাঁয় পৌর মেয়রসহ বিএনপির তিন নেতা কারাগারে

 

মাহামুদুল আলম  নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :
 
নওগাঁয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজমুল হক সনিসহ জেলা বিএনপির তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অপর দুই আসামী হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধুলু ও নওগাঁ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এ নির্দেশ দেন।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় এর আগে হাইকোর্ট থেকে তিন মাসের আগাম জামিন নিয়েছেন আসামিরা। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিম্ন আদালতে আবারও আসামিরা হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আশরাফুল ইসলাম সেই আবেদন না মঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি সম্পত্তিসহ ও জনসাধারনের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গত ৩০ মার্চ নওগাঁ সদর থানায় মামলা হয়। পৃথক দুই মামলায় ৫৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. রফিকুল ইসলাম জানান, মামলার অন্য আসামিরা জামিনে আছেন। আশা করা হচ্ছিল আদালত এই তিন আসামিকেও জামিন দেবেন। কিন্তু তা না করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এখন নজমুল হক সনি, জাহিদুল ইসলাম ধলু ও মিজানুর রহমানের জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
 
তবে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, এই তিন আসামীর জামিনের কোনও সুযোগ ছিলোনা। এই মামলার অন্য আসামীরাও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটে বের হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩০ মার্চ দুপুরে নওগাঁ শহরের কেডির মোড়ে বিএনপির নেতা কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। হেফাজত কর্মী নিহতের ঘটনায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ওই দিন তাদের দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করছিলো বিএনপি নেতা কর্মীরা। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ