ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

তাহিরপুরে গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৪৪৮৩ঘণ্টা পূর্বে


তাহিরপুরে গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা

 

তাহিরপুর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে আজমিনা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত আজমিনা উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের জৈতাপুর গ্রামের কৃষি শ্রমিক শাহনুর মিয়ার স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।
বুধবার দুপুরে গৃহবধুর লাশ সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পারিবারীক সুত্র জানায়, উপজেলার জৈতাপুর গ্রামের শাহনুর মিয়া সপ্তাহকাল ধরে পাশ্ববর্তী জামালগঞ্জে ধাওয়ালীদের সাথে বোরো ধান কাটায় ছিলেন।
এদিকে ফাঁকা বাড়িতে তার স্ত্রী আজমিনা প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে দুই শিশু সন্তান ও  ১০ বছর বয়সী অপর এক প্রতিবেশী ননদকে সাথে নিয়ে নিজ বসত ঘরেই শুয়ে ছিলেন।
রাত পৌনে দুটার দিকে সন্তানরা ‘মা’কে ঘরে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করলে পাশের ঘরে থাকা দাদা দাদি এসে আজমিনাকে খোঁজ নেন।  
এদিকে বসতঘরের প্রধান দরজা বন্ধ থাকায় বসতঘর লাগোয়া গোয়াল ঘরের দরজাটি খোলা দেখতে পেয়ে বাড়ির আশে পাশে এমনকি আজমিনার পৈতৃক বাড়ি পাশ্ববর্তী ঘাগটিয়া গ্রামে তার খোজ নিলেও রাতভর কোন সন্ধান মেলেনি।
পরদিন সকালে নিহতের শশুর আমিরুল ইসলাম (৫৫) গরু চড়াতে মাঠে যাবার পথে বসতবাড়ির  ২০ গজ অদুরে খর খুটো দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আজমিনার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।
নিহত আজমিনার স্বামী শাহনুর মিয়া বলেন,পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী কালে দেখা যায় মাথায় ভারী কোন কিছুর দ্বারা আঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতক আজমিনার লাশ গুমের চেষ্টা করতে সেহরীর সময় ঘনিয়ে আসায় বাড়ির পাশে খরখুটো দিয়ে লাশ ঢেকে রেখে যায়।
বুধবার রাতে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার জানান,প্রাথমিক তদন্তে গৃহবধু হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত হতে পেরেছে। এ ব্যাপারে নিহতের শশুর আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা কয়েকজনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ