ঢাকা, ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০২১ || ১০ কার্তিক ১৪২৮
 নিউজ আপডেট:

স্টিলবডি নৌকা ও স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষ: আহত ৬ নিহত ২

ক্যাটাগরি : বাংলাদেশ প্রকাশিত: ২৩৫৮ঘণ্টা পূর্বে


স্টিলবডি নৌকা ও স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষ: আহত ৬ নিহত ২

 


সাবজল হোসাইন: 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পাটলাই নদীতে আজ সোমবার সান্ধায় পাথরবাহী নৌকা ও  স্পিডবোটের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সম্মূখে পাটলাই নদীর মোরে। এতে বোট টি ভেঙ্গে ডুবে যাওয়ায় আহত হয়েছেন ৬ জন ও নিহত রয়েছেন মা-মেয়ে ২ জন। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো উপজেলা জোরে সুখের ছয়া নেমে এসেছে। 
 
আহতরা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেনের মেয়ে রিনা বেগম (৩৫), শাপলা আক্তার (২৮)। আহত রিনা বেগমের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 
নিহতরা হলেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামে বদরুল আমিনের স্ত্রী জোছনা বেগম (৩০) ও মেয়ে রুমু আক্তার (৮)।

পুলিশ জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার বানিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজার হতে ৮ জন লোক নিয়ে স্পিতবোটটি বালিয়াঘাট ক্যাম্পের সম্মূখ পাটলাই নদীতে আসা মাত্রই পাথর বোঝাই স্টিলবডি নৌকার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। 

এতে বোট টি ৮ জন যাত্রীসহ ডুবে যায়। তাঁদের মধ্যে ২ জন সাতরে তীরে উঠে আসেন। আহত ৬ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও  বাকি দুইজনকে তাৎক্ষণিক খোঁজে পাওয়া যায়নি, পরবর্তীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর নিখোঁজ হওয়া মা-মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রিনা বেগম (৩৫)কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে, অন্যান আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়েছে। এবং ঘটনাস্থল থেকে স্পিডবোট ও স্টিলবডি নৌকাটি জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। 

ঘটানার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুল লতিফ তরফদার এ প্রতিবেদককে জানান, নৌকা এবং স্পিডবোট আপাতত পুলিশ হেফাজতে আছে। এবং ঘটনার সাথে সাথে স্টিলবডি নৌকার মাঝিসহ নৌকায় থাকা শ্রমিকরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকেই আটক করা সম্ভাব হয়নি। তবে এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন:
আরও সংবাদ পড়ুন
Search
গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন  গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে  হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন  করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।    বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে  গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা।   গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।

গাইবান্ধায় কিশোরী লিমা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবি ছাত্রী লিমা আক্তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে হত্যাকান্ডের পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল,সড়ক অবরোধ সহ মানববন্ধন করে আসছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে ঘন্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, নারী মুক্তি আন্দোলনের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,নিহত লিমার বাবা আব্দুল লতিফ, বড় ভাই লিমন মিয়া, ছোট ভাই লিটু মিয়া, কামরুল ইসলাম, আহসান হাবীব,রিমা রিক্তার,পলি বর্মন,আব্দুল আহাদ, শাহাদাৎ হোসেন সিপার, মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু, হিমুন দেব বিশ্ব সহ অন্যরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিমা স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে শাকিল অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ১০ অক্টোবর চট্রগ্রাম ইপিজেড এলাকার শাকিলের মামা সোলায়মান আলীর ভাড়া বাসা থেকে লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শাকিল ও তার মামা সোলায়মান আলীকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামী হাফিজুর রহমান, হৃদয় মিয়া, শাকিলের বাবা শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি জানান বক্তারা।


সারাদেশের সংবাদ